মানুষে মানুষে ভেদাভেদ অতীত থেকে চলে এসেছে। এটি চিরন্তন সত্য। ধনী-গরীব ভেদাভেদ ছিল, আছে এবং থাকবে। হয়তো ভেদাভেদের ধরনটা ভিন্ন। আগে একভাবে মানুষকে হীন করত আর এখন অন্যভাবে করে। কিন্তু ভেদাভেদ বন্ধ হয়নি। এই ভেদাভেদ দুর করার জন্যই পৃথিবীতে যত ধর্মের উতপত্তি। কত আন্দোলন সংগ্রাম, কত রক্তপাত শুধুমাত্র এই ভেদাভেদের কারণে। পাকিস্তান আর বাংলাদেশ বিভক্ত হওয়া, লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু, শ্রমিকদের উপর নির্মম হামলা এসবই এই ভেদাভেদের ফসল। কারণ ধনীরা কখনোই গরীবের কস্ট বোঝে না, বোঝার চেষ্টাও করে না। তাই তাদের মধ্যে বিরোধ ও অসন্তোষ দেখা দেয়। ফলশ্রুতিতে দাঙ্গাহাঙ্গামা, রক্তপাত, হতাহতের ঘটনা ঘটে। এতে বিস্মিত হবার কোন কারণ নেই। এগুলো অতীতেও ছিল, এখনো আছে, এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তবে আশা করি যাতে কমে যায়।
সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
এক ধর্ম কখনো আরেক ধর্ম কিংবা ভিন্ন ধর্মের লোককে হেয় করার অনুমতি দেয় না....
এক ধর্ম কখনো আরেক ধর্ম কিংবা ভিন্ন ধর্মের লোককে হেয় করার অনুমতি দেয় না। কারণ প্রত্যেক ধর্ম মানুষের কল্যাণের জন্য সৃষ্টি হয়েছে । আমি মুসলিম তাই বলে হিন্দু ধর্মের লোককে হেয় করতে পারব না। সবচেয়ে বড় কথা সে সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করে,হয়তো ধরণটা ভিন্ন। কিন্তু আমি ঘৃণা করি যারা সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করে না। যাদের আমরা কমিউনিস্ট বলে চিনি। তারা বলে সবকিছুই নাকি মানুষের তৈরী, স্রষ্টা বলে কিছু নেই। হায়রে অভাগা আশপাশে একটু খেয়াল করে দেখ, সামান্য একটা কম্পিউটার তৈরির জন্য একাধিক বৈজ্ঞানিক কাজ করেছেন। ইন্টারনেট উন্নয়নের জন্য ১০-১৫ জন্য বিজ্ঞানী অবদান রেখেছেন। অথচ কম্পিউটারের স্রষ্টা তৈরি হয়েছে বিবর্তনের মাধ্যমে,কোন স্রষ্টা ছাড়াই, কি হাস্যকর ব্যাপার। এরা আসলে জ্ঞানপাপী। আল্লাহ কোরআন শরীফে বেশ কযেক জায়গায় শিক্ষিত মুর্খ এর উল্লেখ করেছেন, এরা সেই লোক। একজন হিন্দুকে আমি কখনো হেয় করতে পারি না কিংবা বৌদ্ধকে হেয় করতে পারি না। প্রত্যেক ধর্মই মানুষের কল্যাণ, মঙ্গলের কথা বলেছে। সুতরাং তাদের উপর অত্যাচার করা যাবে না।
আলু এখন কৃষকের জন্য গলার ফাস....
আলু এখন কৃষকের জন্য গলার ফাস হয়ে দাড়িয়েছে। আলু বিদেশে রপ্তানি করা গেলে কৃষকের এই হাহাকার কমানো যেত। বাংলাদেশে আলু উদপাদনের পরিমাণ বছরে যেখানে ৮০ লাখ টনের বেশি সেখানে রপ্তানি হচ্ছে বড়জোর ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টন। রপ্তানি না হওয়ার কারণ হিসেবে ভারতের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতাকে দায়ী করেছেন রপ্তানিকারকেরা। টনপ্রতি তাদের আলুর দাম আমাদের চেয়ে কম কারণ তাদের দেশে কৃষকেরা ৫০ শতাংশ নগদ সহায়তা পান। আমাদের দেশে ২০ শতাংশ দেওয়ার কথা বলা হয়, কিন্তু কেটেকুটে ১৫ শতাংশ পাওয়া যায়। তাছাড়া বন্দরে ট্রাফিক সমস্যায় পড়ে আলু বন্দরে ২-৩ দিন পর্যন্ত আটকে থাকে। ফলে অনেক সময় আলু নস্ট হয়ে যায়। নিম্নে একটি পরিসংখ্যান দেখানো হলো-
১. এবার আলুর ফলন ৮৬ লাখ টনের বেশি। স্থা্নীয় চাহিদা ৭০ লাখ টন।
২. বছরে ১৬ লাখ টন আলু রপ্তানি সম্ভব। কিন্তু হচ্ছে গড়ে ৪০ হাজার টন।
৩. ২৭ টি দেশে আলু রপ্তানি হয়। এক-তৃতীয়াংশই যায় মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে।
৪. অনেক দেশেই আলু রপ্তানির সুযোগ আছে। কিন্তু আমাদের দূতাবাসগুলো সে খোজ রাখে না।
১. এবার আলুর ফলন ৮৬ লাখ টনের বেশি। স্থা্নীয় চাহিদা ৭০ লাখ টন।
২. বছরে ১৬ লাখ টন আলু রপ্তানি সম্ভব। কিন্তু হচ্ছে গড়ে ৪০ হাজার টন।
৩. ২৭ টি দেশে আলু রপ্তানি হয়। এক-তৃতীয়াংশই যায় মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে।
৪. অনেক দেশেই আলু রপ্তানির সুযোগ আছে। কিন্তু আমাদের দূতাবাসগুলো সে খোজ রাখে না।
মহিলারা সমধিকার চায় না, পুরুষের মতো চলার অধিকার চায়....
ইদানীং মহিলাদের সমান অধিকার নিয়ে কিছু লোক খুব বেশি বাড়াবাড়ি করছে যা মুসলমান হিসেবে মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে, কারণ তারা এর জন্য সবসময় ইসলামকেই দায়ী করে থাকে। তারা বলে ইসলাম নাকি মহিলাদের ঘর থেকে বের হওয়ার অনুমতি দেয় না। তাদের মৌলিক অধিকার হরন করেছে । অথচ ইসলামের ইতিহাস দেখেন ঐখানে দেখতে পাবেন মহিলাদের কত সম্মানই না দেখানো হয়েছে। হযরত আয়েশা(রাঃ) মহিলা হয়েও শত শত হাদিস বর্ণনা করেছেন। হযরত খাদিজা(রাঃ) ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার পরও দেশ বিদেশে ব্যবসা করেছেন। মহিলাদের সম্পত্তির হিস্যাদার বানিয়েছেন এবং মোহরানার ব্যবস্থা করেছেন। আসলে মহিলাদের স্বাধীনতা বলতে তারা কি বুঝাতে চান তা আমরা সবাই জানি। কেন মহিলারা পর্দার ভিতরে থেকে চাকরি কিংবা ব্যবসা করতে পারে না। মহিলারা সমান অধিকার খুজতে গিয়ে তাদের সম্মান নিজেরাই হারিয়েছেন। আগে গাড়িতে মহিলারা উঠলে তাদের জন্য অনেক পুরুষ সিট ছেড়ে দিত। কারণ মহিলাদের দাড়িযে থাকতে দেখলে পুরুষদের ভাল লাগে। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করত। কিন্তু এখন আর করে না। কারণ তারা সমধিকার চাই। আর সমধিকার চাইলে পুরুষদের মতো দাড়িয়ে থাকতে হবে। এখনো গ্রামাঞ্চলে মহিলাদের অনেক সম্মান করা হয়, শুধুমাত্র মহিলা হিসেবে।
সবজান্তা সমীপেষু............
প্রশ্ন-১। আচ্ছা ছাত্রলীগ আর সাধারন জনগণের মধ্যে কী সম্পর্ক-
ভবিষ্যতের নেতা আর সাধারণ জনগণের সম্পর্ক।
প্রশ্ন-২। বলুন তো আমার প্রেমিকার নাম কী-
বলা যাবে না। আপনার নতুন প্রেমিকা ছুটে যেতে পারে।
প্রশ্ন-৩। পাছে লোকে কিছু বলে, সামনে লোক কিছু বলে না কেন-
বলে, আপনি শোনেন না । সামনে লোকের সামনে যারা থাকে, তারা শোনে।
প্রশ্ন-৪।রস+আলোর কার্টুনগুলোয় অধিকাংশ সময় টাকার রং থাকে সবুজ কেন-
দেশে এত এত কালো টাকা, তাই রস+আলো চায় প্রকৃতির মতো নির্মল সবুজ টাকাও থাক।
রস+আলো ২৯৩ সংখ্যা থেকে সংগৃহিত
ইভটিজিংয়ের জন্য প্রথমত মহিলারাই দায়ী.....
যদি কোন মহিলা ইভটিজিংয়ের শিকার হন তবে আমি বলব প্রথমত তার । কেননা তিনি
যদি ঐভাবে না চলতেন যাতে ছেলেরা টিজ করার সুযোগ তাহলে তিনি নিরাপদ থাকতেন।
নিজের নিরাপত্তা নিজেকেই নিশ্চিত করতে হবে। আপনি যদি ফুটপাত দিয়ে না চলে
গাড়ি চলার রাস্তা দিয়ে হাটেন এবং আপনি যদি গাড়ির সাইড লেগে আহত হন তবে আপনি
আপনার দোষ কোনমতেই এড়িয়ে যেতে পারেন না। কারণ ফুটপাত দেওয়া হয়েছে
পথযাত্রীদের চলার জন্য এখন আপনি যদি বাহাদুরের মতো রাস্তায় চলাফেরা করেন
এবং গাড়ির ধাক্কায় আহত হন তবে গাড়ির ড্রাইভারের চেয়ে আপনার দোষ অংশেই কম
নয়। আল্লাহ সবাইকে স্বাধীনসত্তা দিয়েছেন যাতে নিজের বিবেক খাটিয়ে চলতে
পারি। তিনি একসাথে ভাল এবং খারাপ দুটি দিক মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন।
সুতরাং আমাদের উচিত যেটা ভাল সেটা গ্রহণ করা, তাতে আমাদেরই মঙ্গল।
চুরি কমানোর সঠিক বিচার ইসলামই দিয়েছে.....
চুরি ডাকাতি কমানোর জন্য পৃথিবীর প্রত্যেকটি দেশে, প্রত্যেকটি অঞ্চলে আইন
প্রণীত হয়েছে কিন্তু দুনিয়ার কোন আইন এই পর্য্ন্ত চুরি ডাকাতি ঠেকাতে
পারেনি। হয়তো রুপটা পাল্টাইছে। কিন্তু চুরি ডাকাতি কমেনি। একমাত্র ইসলাম
সঠিক সমাধান দিয়েছেন যে, যদি কেউ চোর প্রমাণিত হয় তবে তার অর্ধেক হাত কেটে
ফেল। কারণ একবার চুরির হাত বের হলে ঐ হাত আর ভিতরে ঢুকে না। এবং তার
দেখাদেখি অন্যরা সাবধান হয়ে যাবে। হয়তো প্রাথমিকভাবে অমানবিক মনে হচ্ছে
কিন্তু এটাই সর্বাপেক্ষা উত্তম পন্থা। যদি কোন পাগলা কুকুর আপনার পায়ে কামড়
দেয় তবে আপনি নিশ্চয় তাকে মেরে ফেলবেন অথবা কিছু একটা করবেন যাতে অন্য
কাউকে কামড় দিতে না পারে। এভাবে যে চোর আপনার ঘরে চুরি করেছে সে যে অন্যের
ঘরে কিংবা আপনার ঘরে আবার চুরি করবে না তার কোন গ্যারান্টি নেই। তাই
আল্লাহর দেওয়া বিধানই শ্রেষ্ঠ যদি আপনি অনুসরণ তবে আপনারই লাভ কারণ
মানবজাতির কল্যাণের জন্যই ইসলাম।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)