বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি....

 জানি না আমার এ লিখা প্রশাসনের কাছে পৌছাবে কিনা, তবুও সাধারণ মানুষের পক্ষ হয়ে লিখলাম হয়তো পৌছুবে এ আশায়।

চট্টগ্রামে জাইকা, বাংলাদেশ সরকার এবং  ওয়াসার অর্থায়নে চলছে রাস্তা খুড়ে পাইপলাইন স্থাপনের কাজ, যা শহুরে বাসীন্দাদের ভোগান্তির কারণ হযে দাড়িয়েছে। এটা ঠিক কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়, কারণ কষ্টের ফল খুবই মিষ্টি। কিন্তু এই কষ্টটা কত দিন সহ্য করলে ফল আসবে তা এখনো বুঝতে পারছে না জনগণ। কাজের যে মন্থর গতি তাতে মনে হচ্ছে না খুব সহসা তারা প্রকল্প শেষ করতে পারবেন। কিছুদিন আগে পত্রিকায় আসছে প্রকল্পটি এই বছর শেষ করার কথা থাকলেও তা আর সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু একবার যখন পিছিয়েছে তা যে আর পিছোবে না তার কি গ্যারান্টি। সমস্যা হল সময় যতই দীর্ঘায়িত হবে ততই মানুষের ভোগান্তি দীর্ঘায়িত হবে। এই সমস্যাটি সবচেয়ে বেশি ভোগাচ্ছে অক্সিজেন সংযোগ রোড ব্যবহারকারী যাত্রীদের। একদিকে সংকীর্ণ  রাস্তা অন্যদিকে রাস্তা খুড়ে পাইপলাইন নির্মাণ করে রাস্তাকে আরও সংকুচিত করা হযেছে। এতে‌ ঐ এলাকার অধীবাসীগণ অসহনীয় ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
আগে আমাদের দেখা সবচেয়ে পরিষ্কার এবং ভাল রাস্তা ছিল কাপ্তাই রোড। এখন পাইপলাইন নির্মাণের জন্য রাস্তা খুড়ায় ঐ রোডের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। তবে এটা স্বাভাবিক যে স্বল্পসময়ে রাস্তা খুড়া ছাড়া গত্যন্তর নেই। সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, চেষ্টা করুন মানুষের দুর্ভোগ লাঘবার্থে যতদ্রুত সম্ভব প্রকল্পটি শেষ করার এবং রাস্তার যাতে খুব বেশি ক্ষতি না হয় সেদিকে রাখতে বলবেন।

ভালবাসা নয় ভালোবাসা-বানানের চিরাচরিত ভুল

আমরা প্রায়ই বানান নিজের অক্ষির গোচরে বা অগোচরে বানান ভুল করে থাকি। খারাপ লাগে যখন কেউ ইচ্ছা করে বানান ভুল লেখে। অনিচ্ছাস্বত্ত্বেও যাদের বানান ভুল হয় তাদের প্রতি আমার কোন ক্ষোভ নেই। কারণ "To err is human" অর্থাৎ মানুষ মাত্রই ভুল। সুতরাং কেউ যদি নিজের অজান্তে ভুল করে তাকে কোন অবস্থাতেই দোষারোপ করা যায় না। আমি এখানে কয়েকটি সাধারণ বানান ভুলের তালিকা দিচ্ছি যা আমরা প্রায়ই ভুল করে থাকি, হয়তো না জেনেই। দয়া করে আপনারা আমার সাথে মিলিয়ে দেখবেন।
ভালবাসা নয় ভালোবাসা
ভূল নয় ভুল
পুরস্কার নয় পুরষ্কার
উপলদ্ধি নয় উপলব্ধি
বিশ্বস্থ নয় বিশ্বস্ত
স্বজ্ঞানে নয় সজ্ঞানে
স্বস্ত্রীক নয় সস্ত্রীক
নূন্যতম নয় ন্যূনতম
মুহুর্ত নয় মুহূর্ত
ভৌগলিক নয় ভৌগোলিক
দুর্ণীতি নয় দুর্নীতি (কারণ শব্দটি নীতি যোগে গঠিত)
সমীচিন নয় সমীচীন
ভূল নয় ভুল
সহযোগীতা নয় সহযোগিতা
উপযোগীতা নয় উপযোগিতা                                                                                                                                     
এতদ্বারা নয় এতদ্দ্বারা
অধীন নয় অধীনস্থ
অসহ্যনীয় নয় অসহনীয়/অসহ্য
সাধ্যাতীত নয় অসাধ্য
সত্বা নয় সত্ত্বা
নিঃশেষিত নয় নিঃশেষ
আবশ্যকীয় নয় আবশ্যক
সিঞ্চন নয় সেচন
বিবাদমান নয় বিবদমান
স্বত্ত্ব নয় স্বত্ব(শুদ্ধ হল স+ব-ফলা+ত+ব-ফলা)
নির্দোষী নয় নির্দোষ
প্রাতঃরাশ নয় প্রাতরাশৱ
উপরোক্ত নয় উপর্যুক্ত
দুরাবস্থা নয় দুরবস্থা
অদ্যবধি নয় অদ্যাবধি
আজ এই পর্যন্ত লিখলাম। চেষ্টা করব যথেষ্ট তথ্য সমৃদ্ধ লেখা আপনাদের সামনে তুলে ধরার।

ঘুমপাড়ানি গানে শিশুরা ঘুমিয়ে পড়ে কেন?

দেখা গেছে ঘুম পাড়ানি গানে শিশুদের মস্তিষ্কে তরঙ্গের পরিবর্তন হয়। সব সময়ই বিভিন্ন তরঙ্গের কম্পাঙ্ক আমাদের মস্তিষ্কে উ্তপত্তি হয়। ঐ তরঙ্গগুলিকে বিটা তরঙ্গ (১৪ থেকে ২৭ চক্র/সেকেন্ড), আলফা তরঙ্গ(৮ থেকে ১৩ চক্র/সেকেন্ড), থিটা (৪ থেকে ৭ চক্র/সেকেন্ড), ডেলটা (০ থেকে ৪ চক্র/সেকেন্ড) এইভাবে ভাগ করা যেতে পারে। ই.ই.জি বা ইলেকট্রো এনসেফালোগ্রাম যন্ত্রে ঐসব তরঙ্গ ধরা পড়ে। ঘুমপাড়ানি গানের সুরেলা ছন্দ মস্তিষ্কের বিটা তরঙ্গকে ডেলটা তরঙ্গে নামিয়ে আনতে পারে, অর্থাৎ তরঙ্গ প্রায় শুন্যে নেমে আসতে পারে। ফলে শুধু শিশু কেন, মায়ের বা খালার ঘুমপাড়ানি গানের ছন্দে বড়দেরই ঘুম পেয়ে যায়।

সিনেমা কথাটার উ্তপত্তি কোথা থেকে?

# ১৮৮৯ সালে টমাস এডিসন তার সহকার ডিপসন প্রথম বাস্তব মোশান পিকচার বা চলচ্ছবি বের করে কাইনেটোস্কোপের উদ্ভব ঘটান। প্রথম ছবি প্রদর্শনকে 'কিনেমা' বলা হত। ওখান থেকেই 'সিনেমা'।
#ভিটামিন 'এ' বেশি খাওয়া কি ক্ষতিকর?
হ্যা, ভিটামিন 'এ' বেশি খাওয়া ক্ষতিকর, কারণ অতিরিক্ত ভিটামিন 'এ' লিভারের পক্ষে খারাপ এবং এমন একটা অবস্থা সৃষ্টি করে যাকে বলে ক্যারটিনিমিয়া। গাজর বা অন্য কোনও খাদ্য থেকে বিটা ক্যারোটিন খাওয়া চলতে পারে, কিন্তু ওষুধ হিসেবে ভিটামিন 'এ' মুড়ি-মুড়কির মতো খাওয়া সত্যিই ক্ষতিকর।

মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

মশা মারা সুগন্ধী কয়েল কী স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর?

মশা মারার সুগন্ধী কয়েল তৈরি হয় নারকেল মালা বা ঐ জাতীয় সেলুলোজ পাউডার, কিছু রাসায়নিক পদার্থ ও গদ বা মোম দিয়ে। পাইরক্সিন ও পাইথ্রয়েড তো থাকেই। যা মানুষের শরীরে সামান্য হলেও বিষক্রিয়া ঘটায়। এছাড়া ঐ কয়েল জ্বললেই কার্বন মনোক্সাইড তৈরি হয় এবং অন্য এমন কিছু পদার্থ তৈরি হয় যা মানব শরীরের পক্ষে মোটেও ভাল নয়। বিশেষ করে বাচ্চাদের শরীরে এইসব কয়েলের প্রভাব বেশ ক্ষতিকর।
তাছাড়া বহুক্ষণ ধরে ঐ সব কয়েল জ্বলা ঘরে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস চালালে মাথা ধরা , বমি ভাব আসতে পারে-পেট্রোলিয়ামজাত পদার্থ শরীরে প্রবেশ করার জন্য্ কারণ অনেক সময়ই ঐ সব কয়েলের সুগন্ধ বাড়াবার জন্য সলভেন্ট হিসেবে সুগন্ধযুক্ত পেট্রোলিয়ামজাত পদার্থ ব্যবহ্রত হয়। এই সব পলিসাইক্লিক হাইড্রোকার্বন অনেক সময় ক্যানসারের কারণও হতে পারে। পাইরিফ্রয়েড থাকার ফলে এমনিতেই চোখ ও গলা জ্বালা করতে পারে।

মানুষ আর জানোয়ারের মধ্যে তফাত

মানুষ শব্দটি মন+হুশ শব্দদ্বয়ের সমন্বয়ে গঠিত।  হুশ শুধু মানুষের নয় জন্তু জানোয়ারেরও আছে। আপনি কখনো কোন গরুকে দেখবেন না গর্তের মধ্যে ঝাপ দিতে কিংবা আগুণের মধ্যে ঝাপ দিতে। কোরবানের সময় যখন আমরা তলোয়ার নিই তখন গরু ছটফট করতে থাকে। অর্থাত্ তাদের হুশ আছে বলেই তা সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু মন একমাত্র মানুষের জন্য প্রযোজ্য। এই মন দিয়ে সে বিচার করে কোথায় কখন কি করতে হবে। তাইতো পন্ডিত বলেছেন-প্রাণ থাকলে প্রাণী হওয়া যায় কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হওয়া যায় না। এই মনের কারণে মানুষ মানুষ হযে উঠে, নয়তো জন্তুর সাথে তার কোন পার্থক্য থাকতো না। মনহুশ শব্দটি কালের বিবর্তনে, ভাষার অবিরাম পরিবর্তনে মানুষে পরিণত হয়েছে।

বিজ্ঞানে অনেক সময় বলা হয় 'ট্রায়াল এন্ড এরর'-কেন?

আসলে একটি কাজের চারটে দশা আছে। ইংরেজীতে  বলে Think and Act (চিন্তা এবং কাজ), Act and fail (কাজ এবং ব্যর্থতা), Fail and learn (ব্যর্থতা এবং সেখান থেকে শেখা) এবং Learn and Succeed (শিক্ষা এবং সবশেষে সাফল্য)। এর মধ্যে দ্বিতীয় দশাটিকে (অর্থাত্ Act and fail )-কে বলা যায় ট্রায়াল এন্ড এরর। কারণ ট্রায়াল বা প্রচেষ্টা করলেই সাফল্য আসে না। বরং ভুল-ত্রুটিগুলো ধরা পড়ে। তাই ট্রায়াল এন্ড সাকসেস বা প্রচেষ্টা এবং সাফল্য নয়। ট্রায়াল এন্ড এরর হলো-প্রচেষ্টা এবং ভুল-ত্রুটি।